জাহিলিয়াতের যুগের বৈশিষ্ট্যসমূহ
রচয়িতা: শায়খ মুহাম্মাদ ইবন আবদুল ওয়াহহাব
জাহিলিয়াতের যুগের মানুষের মধ্যে এসব বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান ছিল।
প্রত্যেক মুসলিমের জন্য এগুলো সম্পর্কে জানা জরুরি। কারণ:
“বিপরীত বিষয়ের মাধ্যমেই কোনো কিছুর সৌন্দর্য প্রকাশ পায়।
বিপরীত বিষয়ের মাধ্যমেই বিষয়গুলো স্পষ্ট হয়ে ওঠে।”
বৈশিষ্ট্যসমূহ
“তারা আল্লাহর কাছে দোয়া করার সময় নেককার ব্যক্তিদেরকে শরিক করত, এই আশায় যে তাঁরা তাদের জন্য সুপারিশ করবেন।”
“তারা বিভক্ত ও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল।”
“নেতার বিরোধিতা করাকে তারা মহৎ গুণ বলে মনে করত।”
“তারা সংখ্যাগরিষ্ঠের দ্বারা প্রতারিত হতো এবং মনে করত, অধিকাংশ মানুষের কোনো কিছুর অনুসরণ করাই সেটি সঠিক হওয়ার প্রমাণ।”
“তারা মনে করত, দুর্বল ও দরিদ্র লোকেরা বাতিলের অনুসারী।”
“তারা মনে করত, ধনী ও ক্ষমতাবান লোকেরা সত্যের অনুসারী।”
“তারা ভুল ও অগ্রহণযোগ্য উপমার মাধ্যমে যুক্তি পেশ করত।”
“তারা দ্বীনকে খেল-তামাশার বিষয় হিসেবে গ্রহণ করেছিল।”
“তারা জেনেশুনে আল্লাহর কিতাবের বিকৃতি ঘটাত।”
“যাদের কাছে সত্য পাওয়া যাক, তাদের অপছন্দ করলে তারা সেই সত্য প্রত্যাখ্যান করত।”
“তাদের মধ্যে মিথ্যা কল্পনা, অলীক আশা এবং বৃথা আকাঙ্ক্ষা পোষণের প্রবণতা ছিল।”
“তারা তাদের নবীদের কবরকে মসজিদ হিসেবে গ্রহণ করেছিল।”
“তারা কবরের চারপাশে প্রদীপ জ্বালাত।”
“তারা নক্ষত্রের মাধ্যমে বৃষ্টি কামনা করত।”
“তারা অন্যের বংশপরিচয়কে হেয় করত।”
“তারা দরিদ্রদের তুচ্ছজ্ঞান করত।”
আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত।
মুহাম্মাদ ﷺ, তাঁর পরিবারবর্গ ও তাঁর সাহাবীদের ওপর শান্তি ও রহমত বর্ষিত হোক।